নিজের নামে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণে আপত্তি, শিক্ষা সচিবকে ডিও পত্র এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর


Saimoon Islam প্রকাশের সময় : জুন ১৯, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন / ১০০০
নিজের নামে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণে আপত্তি, শিক্ষা সচিবকে ডিও পত্র এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর

নিজের নামে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণে আপত্তি, শিক্ষা সচিবকে ডিও পত্র এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর

 

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ–মোকামতলা) আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায় প্রতিমন্ত্রী তাঁর নামে নতুন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণের উদ্যোগ না নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গত ১ জুন ২০২৬ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে একটি আধা-সরকারি (ডিও) পত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

ডিও পত্রে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি নিজেদের উদ্যোগে ও স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে তাঁর নামে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব পাঠিয়ে আসছেন। বিষয়টি তাঁর কাছে অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, পরিচিতি ও স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ণ রাখাই অধিকতর সমীচীন।

পত্রে তিনি আরও জানান, শিবগঞ্জ–মোকামতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে জমি দান, নিজ অর্থে জমি ক্রয়, প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যয় বহন এবং সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছেন। তাঁর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত ও উন্নয়ন করা হয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মীরবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীরবাড়ি সরকারি এতিমখানা, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড বিএম মহাবিদ্যালয়, তিয়াইল মীর লাবনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম মৎস্য ও কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, বেতগাড়ি মীর মাহাতাব–শাহে আলম মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, মোকামতলা মীর শাহে আলম–ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয়, কিচক মীর শাহে আলম কলেজ এবং বেতগাড়ি মীর শাহে আলম ভেটেরিনারি ইনস্টিটিউট।

পত্রের শেষাংশে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে অনুরোধ করেন, উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে তাঁর বা তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব যেন গ্রহণ বা অনুমোদন না করা হয়। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পূর্বের নাম ও পরিচিতি সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জানা গেছে, ডিও পত্রটির অনুলিপি রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছেও পাঠানো হয়েছে।