এদেশে ‘র’-এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না : আব্দুল আউয়াল


Saimoon Islam প্রকাশের সময় : মে ৮, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ন / ১০০০
এদেশে ‘র’-এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না : আব্দুল আউয়াল

এদেশে ‘র’-এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না : আব্দুল আউয়াল

 

শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচার, আলেমদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে সমাবেশ করেছে ইসলামী ঐক্যজোট।

 

শুক্রবার (৮ মে) নগরীর ডিআইটি রেল কলোনি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনের সড়কে অস্থায়ী মঞ্চে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

 

সমাবেশে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল আউয়াল বলেন, “শাপলা চত্বরে কেন জড়ো হয়েছিলাম, বিগত সময়ে মানুষের কাছে সব পৌঁছে গেছে। হেফাজতের কোনো অপরাধ ছিল না। নিরপরাধ মানুষগুলোকে ভারতের ‘র’-এর এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য সেই সমস্ত নিরীহ ছাত্র-জনতা ও আলেম-উলামাদের নির্শেষ করা হয়েছে। এটি তাদের ষড়যন্ত্রের একটি অংশ। এখনো একইভাবে ষড়যন্ত্র চলছে।”

 

তিনি আরও বলেন, “তৎকালীন সময় সারা বিশ্বের উলামায়ে কেরাম মাঠে নেমে প্রতিহত করার জন্য ঢাকার পথে এসেছিল। তারা ভয় পেয়েছিল যে তাদের ক্ষমতার চেয়ার তছনছ হয়ে যাবে। সেই শক্তির মাধ্যমে জনগণ দেখিয়েছে যে ক্ষমতাকে উৎখাত করা যায়। যেমনভাবে এদেশে হাসিনা সরকারকে উৎখাত করেছে।”

 

ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে আব্দুল আউয়াল বলেন, “সরকারি দল ও বিরোধী দল সকলকে আহ্বান করবো, দ্রুত কঠোরভাবে বিবৃতি দিয়ে ভারতের সংখ্যালঘুদের ওপর যেভাবে নির্যাতন চলছে সেটি বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিন। প্রয়োজনে আপনাদের সহযোগিতা করতে আরেকটি গণজোয়ার তৈরি করা হবে। ইনশাআল্লাহ, এদেশে ‘র’-এর এজেন্ডা বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না।”

 

তিনি বলেন, “প্রতিবেশী দেশ ভারতকে বলে দেবেন যেন সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করে। নয়তো এদেশে যেকোনো সময় সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ হলে আমরা তখন সেটি প্রতিহত করার ক্ষমতা রাখবো না। কারণ মুসলিম জনতার মধ্যে সর্বদা তৌহিদের শক্তি কাজ করে। অনেক সময় এটি সহ্য করা যায় না। সুতরাং আমাদের ভাইদের ওপর নির্যাতন ও হামলা অনতিবিলম্বে বন্ধ করার জন্য আপনারা ভূমিকা রাখবেন। তাহলে এদেশে ও ভারতে শান্তি থাকবে। কোনোভাবেই এটি ছাড় দেওয়া হবে না। যদি আপনারা চুপচাপ থাকেন এদেশের মুসলিম জনতা আপনাদেরও ছেড়ে দেবে না।”

 

সমাবেশে ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী বলেন, “শাপলা চত্বরে সকল হত্যা তদন্তের মাধ্যমে সকল অপরাধীর বিচারের দাবি জানাই।”

 

তিনি বলেন, “শাহবাগে যখন দেশ থেকে ইসলাম সরানোর জন্য অপচেষ্টা চলছিল, তখন আমরা শাপলা চত্বরে জড়ো হয়েছিলাম। যদি আমরা জড়ো না হতাম, তাহলে এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নষ্ট হয়ে যেত।”

 

তিনি আরও বলেন, “দেশ ও স্বাধীনতা রক্ষার ক্ষেত্রে সকল অপরাধীকে ধরে ধরে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি সরকার দলীয় ও বিরোধী দলের সবাইকে পার্শ্ববর্তী দেশে মুসলিমদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে হবে।”

 

সমাবেশে বক্তারা শাপলা চত্বরের ঘটনায় নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ এবং আলেমদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।