

চাঁদার দাবিতে বিএনপি নেতার কার্যালয়ে হামলা-লুটপাট, অবশেষে বৈষম্যবিরোধী মামলায় গ্রেফতার সেই আওয়ামী লীগ নেতা রানা,এলাকাজুড়ে স্বস্তি
ফতুল্লার কাশীপুরে চাঁদার দাবিকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা সানি শিকদারের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রানা অবশেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংক্রান্ত মামলারও আসামি হিসেবে পরিচিত এই রানার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ফতুল্লাজুড়ে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে কাশীপুর এলাকায় বিএনপি নেতা সানি শিকদারের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করায় পরিকল্পিতভাবে সশস্ত্র লোকজন নিয়ে তার দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, আসবাবপত্র নষ্ট এবং মূল্যবান মালামাল লুটপাট করা হয়। হামলার ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত কার্যালয়টি একাধিকবার পরিদর্শন করেন বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তারা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এদিকে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রানা প্রশাসনের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি মামলাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। গ্রেফতারের খবরে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অনেকেই মনে করছেন, এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হলে ভবিষ্যতে এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কমে আসবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, যারা হামলা, ভাঙচুর, চাঁদাবাজি ও লুটপাটের মতো অপরাধে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তারা রানার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধ করার সাহস না পায়।
এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার দিকে নজর রয়েছে স্থানীয়দের।
আপনার মতামত লিখুন :