শিক্ষকরাই জাতির কারিগর, গড়েন প্রজন্মের নৈতিকতা: ডিসি রায়হান কবির


Saimoon Islam প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৫, ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ন / ১০০০
শিক্ষকরাই জাতির কারিগর, গড়েন প্রজন্মের নৈতিকতা: ডিসি রায়হান কবির

 

শিক্ষকরাই জাতির কারিগর, গড়েন প্রজন্মের নৈতিকতা: ডিসি রায়হান কবির

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেছেন, ‘শিক্ষকরাই জাতির কারিগর। একজন ভালো শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না, তিনি একটি প্রজন্মের নৈতিকতা ও মানবিকতা গড়ে তোলেন। শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে কাজ করা হচ্ছে। শিক্ষকদের হারানো গৌরব ও মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

 

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘পিতামাতার পরই শিক্ষকের স্থান। তাই শিক্ষকদের প্রতি সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। শিক্ষকদের পেশা সুরক্ষা ও মর্যাদা বৃদ্ধি করা গেলে আগামী ৬০ বছরের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ আরও শক্তিশালী হবে। এ জন্য শিক্ষকদেরও সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।’

 

‘শিক্ষকদের পাশে: পেশা সুরক্ষা, মর্যাদা বৃদ্ধি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার ৬০ বছর’—এই প্রতিপাদ্যে নারায়ণগঞ্জে দিবসটি পালন করা হয়। এ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং জেলার গুণী ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

দিনের শুরুতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। পরে সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী নূর খান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতিকুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম এবং শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যফ্রন্টের সভাপতি কামাল হোসেন। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একজন ভালো শিক্ষকের কাছ থেকে হাজারটি বইয়ের চেয়েও কার্যকর শিক্ষা অর্জন করা সম্ভব। পিতামাতার পর একজন মানুষের জীবন গঠনে শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক শিক্ষা একটি সুন্দর দেশ ও সমাজ গঠনে সহায়ক।

 

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জেলার গুণী ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।