রূপগঞ্জে চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপনে ১০ জনকে অপহরণ, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২


Saimoon Islam প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ন / ১০০০
রূপগঞ্জে চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপনে ১০ জনকে অপহরণ, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২

রূপগঞ্জে চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপনে ১০ জনকে অপহরণ, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২

 

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অনলাইনে চাকরির ভুয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে ১০ জনকে অপহরণ করে একটি বাসায় আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে সংঘবদ্ধ অপহরণ চক্রের মূলহোতাসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১ ও রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় জিম্মিদশায় থাকা ১০ ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার ( ৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে রূপগঞ্জ থানাধীন রূপসী কলাবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থানার ছুফিবাড়ি এলাকার মৃত আকমল মিয়ার ছেলে ও চক্রের মূলহোতা সিরাজুল ইসলাম (২৯) এবং পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী থানার চলিতাবানি এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে অমিত হাসান (২৩)।

 

র‌্যাব-১১’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে যুবকদের প্রলোভিত করে অপহরণ করছে। পরে তাদের একটি নির্দিষ্ট স্থানে জিম্মি করে রেখে নির্যাতনের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে।

 

 

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘যে কোনো শপিংমলে সেলসম্যান’ পদে আকর্ষণীয় চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে ১০ জন রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভার উত্তর রূপসী (কলাবাগান) এলাকার একটি বাসায় যান। সেখানে তাদের চাকরি হয়েছে বলে জানিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রসেসিং ফি বাবদ ৭ হাজার টাকা করে মোট ৭০ হাজার টাকা নেয়া হয়।

 

টাকা নেয়ার পরও তাদের চাকরিতে যোগদানের সুযোগ না দিয়ে ওই বাসায় তিন থেকে চার দিন আটকে রাখা হয়। এসময় ভিকটিমদের খাবার ও পানি না দেয়ার পাশাপাশি তারা চলে যেতে চাইলে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

 

পরে ভিকটিমদের উদ্ধারে র‌্যাব-১১ ও রূপগঞ্জ থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে চক্রটির মূলহোতাসহ দু’জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় এবং জিম্মিদশায় থাকা ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়।

 

গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।