

আওয়ামীলীগকে শেল্টার দেওয়া ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে হালিম আজাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্নবিদ্ধ ফতুল্লা থানা বিএনপি
বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদকে ঘীরে ফুসে উঠছে বক্তাবলীর সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ।
একেরপর এক অপকর্মে তাকে নিয়ে বিএনপির ভিতরেই অস্বস্তি দেখা দিয়েছে।
সর্বশেষ আকবরের সংঘর্ষের ঘটনায় হালিম আজাদের বিরুদ্ধে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে। সে ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় প্রধান আসামি হালিম আজাদ।
এছাড়াও এর কয়েকদিন পূর্বে এনসিপি নেতাকে মারধর করে তুমুল সমালোচনায় পরেন এ হালিম আজাদ।
সে মামলায়ও হালিম আজাদ প্রধান আসামি।
স্থানীয়দের মতে,নদী থেকে মাটি কাটা,ইট ভাটায় চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারে তার রয়েছে নিজস্ব বাহিনী।
বক্তাবলী এলাকার অন্তত ৫ টি হত্যা মামলার আসামি এবং থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত চেয়ারম্যান এর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত আব্দুলকে প্রকাশ্যে শেল্টার দিচ্ছে হালিম আজাদ।
এছাড়াও গডফাদার শামীম ওসমানের পূত্র অয়ন ওসমান ঘনিষ্ঠ রাজুকে হালিম আজাদের পক্ষে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতে গিয়ে টেটাবিদ্ধ হয়েছে।
শুধু তাই নয়,হালিম আজাদের নির্দেশে বক্তাবলী ইউনিয়ন কৃষকদলের ব্যানারে এক কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি হিসেবে দেখা যায় মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার বালুচর ইউনিয়ন এর সন্ত্রাসী মোক্তার প্রধানকে।এছাড়াও ঐ অনুষ্ঠানে দক্ষিন কেরানীগঞ্জ এবং বালুচর ইউনিয়ন এর বহু আওয়ামী দোসরদের দেখা দিয়েছে।
তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো এ অনুষ্ঠান সম্পর্কে কিছুই জানানো হয়নি স্বাগতিক ওয়ার্ডের সভাপতি, সেক্রেটারিকে।
অর্থাৎ এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে হালিম আজাদের বক্তাবলী এবং পার্শবর্তী অঞ্চলের সন্ত্রাসী ও আওয়ামীদোসরদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়ার ব্যাপারটি সকলের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়।
কৃষকদলের সেই প্রোগ্রাম শেষ করে নারায়ণগঞ্জ জেলা ভ্যান,অটোরিক্সা চালকদলের দপ্তর সম্পাদক কাদির সিপাহীর বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠে হালিম আজাদ ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে।
পরে এলাকাবাসী সম্মিলিতভাবে হালিম আজাদ ও তার বাহিনীকে প্রতিহত করে।
এ ঘটনায় হালিম আজাদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।
এ ঘটনায় সৃষ্ট মামলায় হালিম আজাদ প্রধান আসামি হলেও তার গ্রেফতার না হওয়ায় নানা প্রশ্ন উকি দিচ্ছে জনমনে।
তবে এতশত অভিযোগ থাকার পরও কেন হালিম আজাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নিচ্ছেনা এ ব্যাপারে থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুকে ফোন দিলেও তিনি রিসিভড করেন নি।
এ ব্যাপারে সাধারণ সম্পাদক এড. বারী ভূঁইয়া বলেন,আমরা চাইলে তার পদ স্থগিত করতে পারি কিন্তু আমরা চাই কেন্দ্র থেকে তার প্রাথমিক সদস্যসহ সকল প্রর্যায় থেকে সে বহিষ্কার হোক।
এমন কুলাঙ্গার কাউকে বিএনপি চায়না।
এবার দেখার বিষয় প্রশাসন এবং বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব হালিম আজাদ ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যাবস্থা গ্রহন করে
আপনার মতামত লিখুন :