জুলাই শহীদ দিবস ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা


Saimoon Islam প্রকাশের সময় : জুলাই ১৪, ২০২৬, ৯:০৪ অপরাহ্ন / ১০০০
জুলাই শহীদ দিবস ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা

জুলাই শহীদ দিবস’ ও ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযথ মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ১৬ জুলাই জুলাই শহীদ দিবসের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। একই সঙ্গে আগামী ৫ আগস্টের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের কর্মসূচি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা করা হয়।

 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।

 

সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, জুলাই যোদ্ধা, জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদদের পরিবারের সদস্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৬ জুলাই জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের হাজীগঞ্জে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে।

 

এছাড়া আগামী ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে পালিতব্য কর্মসূচি নিয়েও সভায় প্রাথমিক আলোচনা হয়। উপস্থিত সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর চূড়ান্ত কর্মসূচি নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

 

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় জীবনের একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়। এই দিনের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। দিবসটি যাতে সুশৃঙ্খল, মর্যাদাপূর্ণ ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা যায়, সে জন্য সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”

 

তিনি কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, সমন্বয় ও সময়ানুবর্তিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

সভায় দিবস দুটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি স্কুল-কলেজ পর্যায়ে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং জুলাই আন্দোলনভিত্তিক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজনের প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়।

 

দিবস দুটির সার্বিক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে নিজ নিজ উদ্যোগে দিবস দুটি পালনের আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক।