

নারায়ণগঞ্জে নদীর দখল ও দূষণ চিহ্নিত করে কীভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়, পাশাপাশি নদীর পাড় সংরক্ষণে করণীয় নির্ধারণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএর ঘাটে নদীর অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, “নদী ও জলাশয়ের অবস্থার পাশাপাশি ঢাকা শহরের যে খালগুলো রয়েছে, সেগুলোর যোগাযোগ কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সেটি আমরা দেখছি। পানি সরবরাহের ক্ষেত্রে আমরা মাটির নিচ থেকে বেশি পানি তুলছি। এর পরিবর্তে সারফেস ওয়াটার কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সেটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “এসব বিষয়ে যত প্রকল্প আছে, সেগুলো কীভাবে সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী একটি কমিটি গঠন করেছেন। সেই কমিটির সঙ্গে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সচিবরা মিলে এসব জায়গা পরিদর্শন করেছি।”
নদী দখল ও দূষণের বিষয়ে সাকি বলেন, “এখানে দূষণের কারণ কী, কোথায় কী কারণে নদী দূষণ হচ্ছে এবং নদীর চারপাশে কোথায় কীভাবে দখল করে রাখা হয়েছে, সেগুলো আমরা দেখছি। কীভাবে দখলমুক্ত করা যায়, একই সঙ্গে নদীর পাড়গুলো কীভাবে রক্ষা করা যায়, সেটিও আমাদের দেখতে হবে।”
তিনি বলেন, “নদী থেকে মানুষের যে সুফল পাওয়ার কথা, সেই সুফল কীভাবে মানুষ পাবে, সে বিষয়েও আমরা সরেজমিনে দেখার চেষ্টা করছি।”
সাকি আরও বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের বৈঠক হবে। আমরা প্রত্যাশা করি, সরেজমিনে পরিদর্শনে পাওয়া বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরতে পারব।”
পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রায়হান কবির, জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :