শহরের যানজট নিরসনে এবার মাঠে বিকেএমইএ-চেম্বার-মডেল গ্রুপের স্বেচ্ছাসেবীরা


Saimoon Islam প্রকাশের সময় : মে ২০, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ন / ১০০০
শহরের যানজট নিরসনে এবার মাঠে বিকেএমইএ-চেম্বার-মডেল গ্রুপের স্বেচ্ছাসেবীরা

শহরের যানজট নিরসনে এবার মাঠে বিকেএমইএ-চেম্বার-মডেল গ্রুপের স্বেচ্ছাসেবীরা

 

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে তীব্র যানজটে নাকাল নারায়ণগঞ্জ শহরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আবারও মাঠে নেমেছে বিকেএমইএ, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও মডেল গ্রুপ। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করতে “উই আর ভলান্টিয়ার” কার্যক্রমের আওতায় ২২ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

 

বুধবার (২০ মে) থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত নগরীর চাষাড়া এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তারা।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঈদকে কেন্দ্র করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় কয়েকদিন ধরেই তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে ব্যবসায়ী, কর্মজীবী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

 

নগরবাসীর এই দুর্ভোগ কমাতে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালামের সার্বিক সমর্থনে এবং জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের দিকনির্দেশনায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিন প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে পরিচালিত কার্যক্রমটি তত্ত্বাবধান করছেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক ও “উই আর ভলান্টিয়ার”-এর প্রতিষ্ঠাতা আহমেদুর রহমান তনু।

 

এর আগেও বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়ী সংগঠনের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবীরা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কাজ করেছেন। পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে এবার আরও সমন্বিত ও পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

 

বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি (অর্থ) মোরশেদ সারোয়ার সোহেল বলেন, “সামনে ঈদুল আজহা। এই সময়ে নগরবাসী যেন যানজটের ভোগান্তিতে না পড়েন, সেজন্য আমরা আবারও উদ্যোগ নিয়েছি। এই শহর আমাদের সবার। শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী সমাজেরও সামাজিক দায়িত্ব রয়েছে।”

 

তিনি আরও বলেন, “শুধু সাময়িক উদ্যোগ নয়, দীর্ঘমেয়াদে যানজট নিরসনে সমন্বিত পরিকল্পনা জরুরি। সড়ক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

 

সংশ্লিষ্টদের আশা, ঈদের বাড়তি চাপের সময়ে স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং নাগরিক সমস্যা সমাধানে ব্যবসায়ী সমাজের সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে।