

নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে নতুন পিপি, দায়রা আদালতে দুই এপিপি নিয়োগ
নারায়ণগঞ্জ জেলার দায়রা আদালত ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নতুন সরকারি আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। আদেশে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিন আইনজীবীকে সংশ্লিষ্ট পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া। তিনি খালেক হাওলাদারের ছেলে।
এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট জান্নাতুল ফেরদৌস অর্চি ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মাসুম। জান্নাতুল ফেরদৌস অর্চি আনোয়ার হোসেন খানের মেয়ে এবং মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মাসুম মৃত মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের ছেলে।
একই আদেশে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি পদে নিয়োগ পাওয়া অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মোল্লার নিয়োগসংক্রান্ত আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (জিপি-পিপি) মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত আদেশে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের দায়িত্ব অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট সুমন মিয়ার পিপি হিসেবে নিয়োগ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সমিতির তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১৮ অক্টোবর ২০১৪ সালে মেট্রোপলিটন বারে আইনজীবী হিসেবে এনরোলমেন্ট লাভ করেন। পরে ৪ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নিয়মিত সদস্য হন।
তার জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যপদের সময়কাল দুই বছরও পূর্ণ না হওয়ার বিষয়টি সামনে এনে আইনজীবীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ কেউ নিয়োগ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের কথাও বলছেন।
আপনার মতামত লিখুন :