

এনায়েতনগর ইউপি’তে বৈষম্যবিরোধী মামলায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গ্রেফতার হলেও আরেক আসামি আতাউর মেম্বারের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হতে দৌড়ঝাঁপ
ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংশ্লিষ্ট মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা আতাউর রহমান প্রধানকে ঘিরে নতুন করে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন। অথচ তাকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নারায়ণগঞ্জের আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান এর ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে আতাউর রহমান প্রধান এলাকায় দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তার করেছেন। সরকার পরিবর্তনের পর শামীম ওসমান আত্মগোপনে থাকলেও তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আতাউর রহমান প্রধান এখনও প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।
সম্প্রতি এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই ওই পদ দখলে নিতে আতাউর রহমান প্রধান তৎপর হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাইয়ে দিতে জেলার এক যুবদল নেতাও নেপথ্যে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংশ্লিষ্ট মামলার একজন আসামি কীভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ান এবং একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পাওয়ার চেষ্টা করেন—এ প্রশ্নের জবাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই দিতে হবে। তাদের মতে, আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব নয়, আইনের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্থানীয়রা অবিলম্বে আতাউর রহমান প্রধানকে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার আসামিকে কোনোভাবেই ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব না দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা
আপনার মতামত লিখুন :