
বীর মুক্তিযোদ্ধা গিয়াসউদ্দিন দুঃসময়ে আওয়ামী রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আলী।
এ সময় তিনি আরও বলেন,
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব গিয়াসউদ্দিন বিএনপি যখন চরম দুঃসময়ে,যখন কেউ বিএনপি’র নাম মুখে নিতেও ভয় পেতো তখন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলার সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহন করা এবং আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে তাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ ছিলো।
গিয়াসউদ্দিন অসীম সাহসের সঙ্গে সেই দায়িত্ব সামলেছেন। তার নেতৃত্বে আওয়ামী বিরোধী আন্দোলন অত্যন্ত বেগবান ছিল। বর্তমানে যারা এমপি প্রার্থী তখন তাদের দেখা তো দূরের কথা নাম পর্যন্ত শোনা যায়নি।
তিনি বলেন, ১/১১ এর সময় তাকে আটক করার পর জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ার জন্য তাকে অনেক অত্যাচার করা হয়েছিল।কিন্তু সে রাজি হয়নি।ফলে তার উপর নির্যাতনের হার আরো বেড়ে যায়। কিন্তু গিয়াসউদ্দিন জিয়া পরিবারের অত্যন্ত আস্থাভাজন। গিয়াসউদ্দিনের মতো একজন ত্যাগী, সৎ, সাহসী, শিক্ষিত, আওয়ামীলীগের সাথে আঁতাত বিহীন একজন ব্যক্তি এ আসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি আসনে তার বিকল্প কোন প্রার্থী নেই। এ আসনের দায়িত্ব গিয়াসউদ্দিনের মত একজনের হাত ছাড়া অন্য কারো হাতে গেলে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। তিনি একমাত্র ব্যক্তি যে দুষ্টের দমন এবং সিষ্টের লালন করেন। গিয়াসউদ্দিনের মত কোন লোক এমপি হলে কোন সুবিধাভোগী জমি দখল, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড কোন কিছুই করতে পারবে না। দলকে এক সুতোয় গেঁথে রাখা এবং নিয়ন্ত্রণ করার মত একমাত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন। আমরা তার নেতৃত্বে সকল আন্দোলন সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থেকেছি। সরকার পতনের সর্বশেষ আন্দোলনেও সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছিলেন গিয়াসউদ্দিন ও তার অনুসারীরা।
আমি নিজেও সাতটি মামলা খেয়েছি। দলের দুঃসময়ে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দলকে গুছিয়ে রেখেছি। সকলের মাঝে সমন্বয় করেছি। এখনো একই ভূমিকা পালন করছি।
আমরা যারা ত্যাগী তৃণমূলের নেতাকর্মী আমরা নারায়ণগঞ্জ-০৪ আসনে গিয়াসউদ্দিনকে এমপি হিসেবে দেখতে চাই।
আপনার মতামত লিখুন :