

পদধারী আওয়ামীলীগ নেতা ও একাধিক বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামি নাহিদ হাসান সবুজ প্রকাশ্যে,দ্রুত গ্রেফতারের দাবি
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ হাসান সবুজের বিরুদ্ধে নিজ চাচা ও চাচাতো বোনের ওপর হামলা, মারধর এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানা যায়, নিজ বাড়িতে জমি ও রাস্তা-সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে নাহিদ হাসান সবুজের নেতৃত্বে শ্যামল, ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত সিহাব, নাইম এবং বিএনপির স্থানীয় কয়েকজন নেতার সহযোগিতায় হামলার ঘটনা ঘটে।
এ হামলায় কোতালের বাগ এলাকার ব্যবসায়ী নাসিরউদ্দিন তুহিন , তার স্ত্রী এবং বড় মেয়ে নাসরিন জাহান তরী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা হামলার পাশাপাশি মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগও তুলেছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, নাহিদ হাসান সবুজ ও সিহাবের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্র হত্যা-সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, আওয়ামী লীগের পতনের পর দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর সবুজ এলাকায় ফিরে এসে পুনরায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন। একই সঙ্গে ফতুল্লা ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মিঠু খান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টাকলা আরিফ এবং কোতালের বাগ এলাকার কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার নয়নকে ৫০ লাখ টাকা ‘প্রোটেকশন মানি’ দিয়ে তাদের সঙ্গে গ্রুপিং করে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবী,এ সবুজ বিগত দিনে আওয়ামীলীগ এর পদ ব্যাবহার করে এলাকায় নানা অপকর্ম করে বেরিয়েছেন।
তবে সরকার পতনের পর আওয়ামীলীগ পালিয়ে গেলেও যুবদল নেতা মিঠু খান,স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আরিফ প্রধান এর মতো নেতাদের শেল্টারে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
একাধিক মামলার আসামি এ সবুজকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী
আপনার মতামত লিখুন :