আওয়ামী নেতাদের শেল্টার ও সম্পদের পাহাড়ায় যুবদল নেতা মশিউর রহমান রনি?
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ এ বিশেষ করে ফতুল্লায় আওয়ামীলীগ নেতাদের শেল্টার দেওয়া এবং পালিয়ে যাওয়া বেশ কয়েকজন নেতার সম্পত্তির পাহাড়ায় আছেন বলে জোড়ালো অভিযোগ উঠেছে।
তথ্য অনুযায়ী,রনির নিজ এলাকা মাসদাইরের আওয়ামীলীগ নেতা মতিউর রহমান প্রধান,ছাত্রলীগের দুর্ধষ সন্ত্রাসী রিয়াদ,রাফেল,আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ঠ সন্ত্রাসী পাগলা হামিদ বর্তমানে আত্মগোপনে থাকলেও তাদের নিয়ন্ত্রনাধীন ঝুট,অবৈধ গ্যাস সংযোগ,ডিস-ইন্টারনেট ব্যাবসাসহ নানা ব্যাবসায়ীক প্রতিষ্ঠান এখন রনির অনুসারীদের নিয়ন্ত্রনে।শুধু তাই নয়,তাদের উপার্জিত কালো টাকার সম্পদের পাহাড়াদার রনি এমন গুঞ্জন ফতুল্লায় রয়েছে।
এছাড়াও তার ভাগ্নে ছাত্রলীগের সিফাত ও রামারবাগের আওয়ামীলীগ নেতা রাজ্জাক এখনো রনির শেল্টারে এলাকায় প্রকাশ্যে থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন ঝুট বানিজ্য।
শুধু এই কয়জনই নয়,এনায়েতনগর ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান আতাউর রহমান প্রধান,আজমেরীর ক্যাডার কাইল্লা রকমত রনির আশ্রয় প্রশ্রয়ে রয়েছেন নিরাপদে এমন গুঞ্জন জোড়ালো হচ্ছে ফতুল্লাজুড়ে।
এছাড়াও জুলাই আন্দোলনে প্রকাশ্যে ছাত্রজনতাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া ইসদারের সামা ফিরোজ ও ডানো টিটুর রনির শেল্টারে থাকার ছবি
ভাইরাল হওয়ার পর এ নিয়েও চলছে সমালোচনা।
বিএনপির একাধিক নেতারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,যে আওয়ামীলীগ বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে অশান্তিতে রেখেছিল, মামলা হামলা করে পরিবার থেকে দূরে রেখেছিলো,আর্থিক,শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করেছিল সে আওয়ামীলীগ নেতাদের আরাম আয়েশে থাকার ব্যাবস্থা করে দেওয়া বিএনপির নেতারা আসলে জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে বিশ্বাসী না।তারা সুবিধাবাদী। তাদের কারনে আওয়ামীলীগ আবারও দেশবিরোধী চক্রান্ত করার সুযোগ ও সাহস পায়।
যারা আওয়ামীলীগের দোসরদের এভাবে শেল্টার দেয় এবং তাদের থেকে সুবিধা নেয়,সেইসব নেতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।