
কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম সেন্টুর বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার চাইলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ-কোষাধক্ষ্য আলহাজ্ব তৈয়বুর রহমান।
গনমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে
ফতুল্লার তৃণমূল থেকে উঠে আসা সফল নেতা মনিরুল আলম সেন্টু দীর্ঘকাল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। তিনি ১৯৯১ সালে ফতুল্লা থানা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মনোনীত হন ৭ ইউনিয়নের ১৪ ভোট পেয়ে। পরে ১৯৯৭ সালে আবার ভোটের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন।
২০০২/০৩ সালে ভোটের মাধ্যমে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৮/০৯ সালে যখন বোঝা গেল যে ভোটে তিনি সভাপতি পদে নির্বাচিত হবেন, তখন ভোট বন্ধ করে তাকে সিনিয়র সহ-সভাপতি মনোনীত করা হয়। এই সময়ও তিনি দল ছাড়েননি।
যে কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, সেই একই কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় ৫০০–৬৫০ জনকে বহিষ্কার করা উচিত ছিল, কিন্তু বাস্তবে বহিষ্কার হয়েছেন মাত্র ৫–৭ জন। এক যুগ ধরে তিনি বিএনপির আদর্শকে ধরে রেখেছেন। শেষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগ না দিয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হওয়ায় রাজনৈতিক উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছিল।
ফতুল্লা এলাকায় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, যেভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একরামুজ্জামানকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, ঠিক তেমনি মনিরুল আলম সেন্টুকে ফিরিয়ে আনার কোনো বাধা নেই।
সেন্টুকে ফিরিয়ে আনতে পারলে ফতুল্লা থানা বিএনপি আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করেন তৈয়বুর রহমান।
আপনার মতামত লিখুন :