অবিলম্বে মুসলিম নির্যাতন ও নির্মূল অভিযান বন্ধ না হলে ভারতকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খেলাফত মজলিসের নেতারা। তারা বলেন, সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধর্মীয় উৎসব পালনে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। ভারত সরকার তাদের সংখ্যালঘু মুসলমানদের জীবন ও সম্পদ ধ্বংসে মেতে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাহী পরিষদের সাপ্তাহিক সভায় এ কথা বলেন দলের নেতারা।
দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাব উদ্দিন আহমদ খন্দকার, মুফতি আবদুল হক আমিনী প্রমুখ।
ভারতের আসামে ১ হাজার ১০০ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ ও বহু মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও তীব্র নিন্দা জানিয়ে নেতারা বলেন, বনভূমি দখলমুক্ত করার নামে আসামের বিজেপি দলীয় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বেছে বেছে বাংলাভাষী মুসলমানদেরকে ঘর-বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। মুসলমানদের ইবাদতের স্থান মসজিদগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যাদের ঘর-বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে তারা বংশানুক্রমে ভারতের স্বাধীনতার আগ থেকেই সেখানে বসবাস করে আসছিল। যেসব মসজিদ ভাঙা হয়েছে তার মধ্যে বেশ কিছু অর্ধ শতাব্দী আগে নির্মিত।
সমমনা ইসলামি দলের ব্যানারে কাজ করবে সাত দল
দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো একটি মসজিদ বন্ধ করার অপচেষ্টা চলছে মন্তব্য করে নেতারা বলেন, এভাবে ভারতজুড়ে মুসলমানদের জীবন-সম্পদ ও মসজিদ-মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে নির্মূল অভিযান চালানো হচ্ছে। ভারতের মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিজেপি ও আরএসএসের সাম্প্রদায়িক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব কর্মকাণ্ড নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।