হুজুর আরিফের শেল্টারে কাঠেরপুলের দুই শীর্ষ অপরাধী সোহেল-রবিন মাসুকুল ইসলাম রাজিবের বলয়ে
আরিফুর রহমান আরিফ ওরফে হুজুর আরিফ।দীর্ঘ আওয়ামী শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রামে যার ছিলোনা নূন্যতম অংশগ্রহণ। যার বিএনপিতে নেই কোনো পদ - পদবী। যিনি করে আসছেন মসজিদে মসজিদে তাবলীগ জামায়াত।
আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা কিংবা বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত না থাকলেও আওয়ামী সরকার পতনের পর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজিবের ঘনিষ্ঠ বনে যান।
বিভিন্ন সভা- সমাবেশে রাজিবের সাথে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে ফতুল্লার কাঠেরপুল, শিবুমার্কেট,রামারবাগ,
স্টেডিয়াম,তক্কারমাঠ,
হাজীগঞ্জসহ আশেপাশের এলাকায় যত ধরনের অপরাধী রয়েছেন তাদের তাদের ঘনিষ্ঠ বনে যান।আর তাদের শেল্টার দিয়ে অবৈধ উপায়ে উপার্জন করেন কাড়ি কাড়ি টাকা। বড় বড় ত্যাগী ও হেভিওয়েট নেতাদের বাদ দিয়ে এসব এলাকার ঝুট ব্যাবসা চলে যায় তার নিয়ন্ত্রণে, তার নামে আসে পশুর হাট।
অথচ বিএনপিতে নেই তার নূন্যতম অবদান।
এ যেনো ঢাল নেই,তলোয়ার নেই,নিধিরাম সর্দার।
আর সেই নিধিরাম সর্দার আরিফ ফতুল্লার অন্ধকার জগতের নিয়ন্ত্রক। সম্প্রতি ফতুল্লায় দুই শীর্ষ অপরাধী সোহেল ও রবিনকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তারা উভয়েই মাসুকুল ইসলাম রাজিবের অনুসারী পরিচয়ে অপরাধ জগতে দাবড়ে বেরিয়েছেন।
আর এই দুই অপরাধীকে রাজিবের সাথে পরিচয় ও যুক্ত করে দেওয়ার মূল কারিগর হুজুর আরিফ।
হুজুর আরিফ সম্পর্কে এলাকাবাসীর ভাষ্য,সরকার পতনের পূর্বে তাবলীগ জামায়াত করতেন,তাকে ভালো মনে হয়েছে।কিন্তু সরকার পতনের পর আর আসল রুপ বের হয়ে আসছে।
সে বিএনপি নেতা রাজিবের কাছের লোক পরিচয় দিয়ে মাদক ব্যাবসা,ঝুট ব্যাবসা,অস্ত্র ব্যাবসায়ীদের শেল্টার দেওয়া,ভূমিদস্যুতাসহ বহু অপকর্মে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। ফতুল্লার
শীর্ষ অপরাধীদের ভরসাস্থল হয়ে উঠেছে এই আরিফ।
স্থানীয়রা বলছেন,এসব মুখোশধারী ব্যাক্তির জন্য মাসুকুল ইসলাম রাজিবের ক্লিন ইমেজ নষ্ট হওয়ার পথে। অনতিবিলম্বে এই আরিফকে রাজিবের ত্যাগ করা উচিত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা